হনুমান জীর পূজা করার সময় মেয়েদের এই ১০ টি কথা অবশ্যই মনে রাখা দরকার, নাহলে হতে পারে বিপদ…

1
28387

সবাই বলে হনুমানজী সমস্ত সংকটকে দূর করে দেয়। তাই তাকে সংকটমোচন হনুমান বলা হয়। তাইতো ত্রেতাযুগে যখন ভগবান রামের সামনে এক বিশাল সমুদ্র এসেছিল তখন সেই সমুদ্রকে পার করার জন্য ভগবান রামেরও হনুমানজীকে দরকার পরেছিল। শুধু তাই নয় যখন দাপট যুগে কুরুক্ষেত্রে অর্জুনের দরকার পড়ল, তখন হনুমানজী রথের উপরে বসে পান্ডবদের বিপদ থেকে মুক্ত করেন।

হনুমানজী নিজে একজন সত্যিকারের ভক্ত ছিলেন। তাই তারও এরকম মানুষই পছন্দ যে তাকে সত্যিকারের ভক্তি করতে পারে। সে পুরুষ হোক বা মহিলা তাতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু প্রতিটা পুজোরই কিছু না কিছু নিয়ম বিধি থাকে। সেগুলোরই লক্ষ্য রাখতে হয়।

এটা তো আমরা সবাই জানি যে হনুমানজী একজন অখন্ড ব্রহ্মচারী। তাই মহিলারা যদি তাঁর পূজা করেন তাহলে কিছু বিধি নিয়ম তাদেরকে মেনে চলতে হয়। আসুন আজ সেই বিধি নিয়মগুলোর কথাই আমরা বলবো।

তাহলে দেরি কিসের আসুন জানি পুরো ব্যাপারটা।

সিঁদুর – 

হনুমানজীর সিঁদুর খুব পছন্দ। কিন্তু মহিলাদের সব সময় একটা কথা মনে রাখতে হবে যে তারা হনুমানজীর পুজো করার সময় কোন ভাবেই যেন সিঁদুর দান না করে।

বাজরংবান – 

মহিলারা কোন রকম ভাবেই যেন বাজরংবান পাঠ করবেন না। এমনকি পুরুষদেরও বাজরংবান পাঠ করার সময় অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়।

অনুষ্ঠান – 

মহিলারা কোন বড় অনুষ্ঠান করবেন না। কিছু সাধারন পুজো করতে পারেন। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে চলা অনুষ্ঠান মহিলাদের করা উচিত নয়।

আসন – 

মহিলারা হনুমানজীকে আসন দেবেন না, অর্ঘ্য দেবেন না, এমনকি আচমনও করবেন না।

পৈতে – 

মহিলারা যখন হনুমানজীর পুজো করবেন তখন ভুল করেও তাকে পৈতে দেবেন না।

চরণ পাদুকা – 

মহিলারা হনুমানজীকে চরণ পাদুকা অর্পণ যেন না করে।

পঞ্চামৃত – 

মহিলারা কোনভাবেই হনুমানজিকে পঞ্চামৃত দেবেন না। এমনকি মহিলারা হনুমানজীকে স্নান করাবেন না।

কাপড়ের জোড়া – 

মহিলারা হনুমানজীকে যেন কাপড়ের জোড়া অর্পণ না করে।

এই সময় পুজো করবেন না – 

মেয়েদের পিরিয়ড হওয়ার সময় যেন ভুল করেও হনুমানজীর পুজো করবেন না। কারণ উনি ব্রহ্মচারী এটি সবসময় মনে রাখবেন।

চেলি – 

মহিলারা যেন কোনভাবেই হনুমানজীকে চেলি অর্পণ না করে, এমনকি চেলি যেন হনুমানজীকে না পড়ায়।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here