বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করা খুবই জরুরী প্রত্যেকটা ছেলে-মেয়ের, নাহলে হতে পারে মহা বিপদ…

0
1492

বিভিন্ন দেশে বিয়ের আগেই পাত্র-পাত্রীরা জেনে নেন তার হবু জীবনসঙ্গী কোন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত কি না। আমাদের দেশের জনগন এই ব্যাপারে সচেতন না হলেও তরুন তরুণীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। আর কেনই বা আগ্রহ থাকবে না, কারণ বিয়ের মতন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলি জেনে নেওয়া খুবই প্রয়োজনীয়।

বিয়ের আগে কি ধরনের পরীক্ষা গুলো করানো দরকার সেগুলি জেনে নিন…

রক্ত পরীক্ষাঃ-

বিয়ের আগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা খুবই প্রয়োজন। রক্তের গ্রুপের ভিন্নতার কারণে পারিবারিক জীবনে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। নেগেটিভ রক্তবহনকারী কোনো নারীর সঙ্গে পজেটিভ কোনো পুরুষের বিয়ে হলে তাদের সন্তান জন্মদানের সময় কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। এমনকি গর্ভপাত বা শিশুর মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বর-কনে বিয়ে করলে সুখী ও সুন্দর জীবন গঠন করা সম্ভব হবে।

হেপাটাইটিসঃ-

বিয়ের আগে টেস্ট করে জেনে নেওয়া উচিৎ হেপাটাইটিস A, B, C আছে কি না। হেপাটাইটিস A সেরে গেলেও কোনো পাত্রী যদি হেপাটাইটিস B বা C তে আক্রান্ত হন, তাহলে তার থেকে তা সংক্রামিত হয়ে তার স্বামী ও সন্তানের শরীরে যেতে পারে। সেখেত্রে বিয়ের আগেই দুজনের হেপাটাইটিস ভ্যাক্সিন নিয়ে রাখা ভালো।

বন্ধ্যাত্ব পরিক্ষাঃ-

গাইনোকোলজিস্টের কাছে গিয়ে পাত্রীর দেখে নেওয়া উচিৎ তার ইউরেটাস, ওভারিতে কোনো সমস্যা আছে কি না। সেই সঙ্গে পাত্রের পুরুষত্ব, বীর্যপাতজনিত সমস্যা বা পুরুষাঙ্গে কোনো সমস্যা আছে কি না তা আগেই টেস্ট করে জেনে নেওয়া উচিৎ। যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে পরীক্ষার মাধ্যমে বিয়ের আগেই চিকিৎসা করিয়ে নিতে হবে।

থ্যালাসেমিয়াঃ-

থ্যালাসেমিয়া জাতীয় হিমোগ্লো হোমিওপ্যাথি টেস্ট করে জেনে নেওয়া উচিৎ যে তিনি থ্যালাসেমিয়া বাহক কি না। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বাহক হলে আগত শিশু এই রোগে আক্রান্ত হবে। এ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা বাচ্চা না নেওয়ার জন্যই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

কিডনিঃ-

কিডনির কোন সমস্যা আছে কি না তা জানতে ইউরিন টেস্ট করে দেখা উচিৎ। ইউরিনে ইউরিয়া বেশি থাকলে পরবর্তীতে বাচ্চার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই আগেই এর চিকিৎসা করে নিতে হবে।

থাইরয়েড ও রক্তাল্পতাঃ-

থাইরয়েড থাকলে পরবর্তী সময়ে সন্তান জন্ম দানের সময় সেটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এছাড়া রক্তাল্পতায় আক্রান্ত পাত্রীরও বিয়ের পর সন্তান নিতে গেলে অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আগেই এর পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।

এইচআইভি ও অন্যান্য যৌনবাহিত রোগঃ-

বিয়ের আগেই বড়-বধুর এইচআইভি অথবা যৌনবাহিত রোগ যেমন সিফিলিস গনোরিয়া, যৌনাঙ্গে ব্যাকটেরিয়া জড়িত ইনফেকশন আছে কি না সেগুলি পরীক্ষা করা খুবই জরুরি। এর মধ্যে এইচআইভি ছাড়া অন্যান্য রোগগুলি যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here